প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের সামনে পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন সমস্যা ছিল, সেগুলো পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, সম্প্রতি তিনি একটি ডাটা সংগ্রহ করেছেন, যেখানে দেখা গেছে যে অনেক শিক্ষার্থী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। দেশের সামাজিক অর্থনীতির উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা কীভাবে হিউম্যান ক্যাপিটাল বৃদ্ধি করতে হবে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছেন।
তিনি জানান, সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অনেকে এসএসসি সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন। পুনর্মূল্যায়নের পর দেখা গেছে, অনেকে আবার গ্রেড এ ও জিপিএ ফাইভ অর্জন করেছেন। পরীক্ষা পদ্ধতির অসংগতিগুলোও খুঁজে বের করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের হাতে অন্য কোনো উপায় নেই, তাদের শিক্ষাবোর্ডের মধ্যদিয়ে যেতে হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের ৯০ শতাংশ প্রশ্ন গাইড বই থেকে আসে। তিনি জানান, আমরা কিভাবে এই পরিবর্তন ঘটানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।
তিনি আরও বলেন, "আমি যদি এআই দিয়ে ভিন্ন প্রশ্ন করি তাহলেও সমস্যা আছে।" সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা এটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে না। তিনি প্রশ্ন রাখেন, তাহলে কোন পরীক্ষা পদ্ধতি সঠিক হবে।
মিলন বলেন, ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তিনি প্রশ্ন করেন, জেনারেলকে ইংলিশ মিডিয়াম করার প্রয়োজন কি না, কারণ ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা।
তিনি উল্লেখ করেন, চিকিৎসা এবং প্রকৌশলসহ আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ক্ষেত্রেই বাংলার সংযোজন নেই, তবে আমাদের প্রচুর বাংলা পড়তে হবে।
মিলন বলেন, প্রতিবেশি দেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলে তিনি অ্যাডুকেশন সিস্টেম কেমন, তা দেখেছেন এবং প্রশ্ন করেন, এটা কেন বাংলাদেশে সম্ভব নয়। তিনি বলেন, "সেই সময় তো বাংলাপিডিয়াও ছিল না।" তবে গ্লোবাল ভিলেজে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, "আমরাও পারব, আমরা বাংলাদেশি মনে রাখতে হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন