প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জীবিকার প্রয়োজনে ভারতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ফেনীর এক যুবক। প্রায় সাত-আট মাস ধরে পরিবারের সদস্যদের সাথে তার কোনো যোগাযোগ নেই।
তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। এ কারণে পরিবার চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। নিখোঁজ যুবককে উদ্ধারে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বজনরা।
নিখোঁজ যুবকের নাম মোহাম্মদ মাসুম। তিনি ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের চর হুজুরী গ্রামে নানাবাড়িতে বড় হয়েছেন। পৈতৃক বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের চাঁদখালি গ্রামের বেপারী বাড়িতে। তিনি ওই গ্রামের রুহুল আমিনের পুত্র।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মাসুম মেকানিকের কাজে দক্ষ ছিলেন। তার দক্ষতা দেখে সোহেল নামের একজন ব্যক্তি মাসুমকে ভারতে ভালো বেতনে মেকানিকের চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। এরপর গত নভেম্বর মাসে তার মাধ্যমেই ভারতে, চেন্নাইয়ে পৌঁছান মাসুম। সেখানে যাওয়ার পর প্রথম দুই মাস পরিবারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং বাড়িতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন তিনি।
এরপর হঠাৎ করে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। গত সাত-আট মাস ধরে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় স্বজনরা জানেন না তিনি কোথায় বা কী অবস্থায় আছেন।
মাসুমের মামা মো. শহিদ বলেন, ‘মাসুম ছোটবেলা থেকেই আমাদের বাড়িতে বড় হয়েছে। সে মেকানিকের কাজ জানত। সোহেল নামের এক ব্যক্তি ভালো বেতনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে ভারতে নিয়ে যায়। যাওয়ার পর প্রথম দুই মাস আমাদের সাথে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু গত সাত-আট মাস ধরে তার সাথে কোনো যোগাযোগ নেই।’
তিনি আরো বলেন, ‘কেউ কেউ বলছে, চেন্নাই থেকে কলকাতায় আসার পর হাকিমপুর থানা পুলিশ তাকে আটক করেছে। কিন্তু সে বর্তমানে কোথায় আছে, কেমন আছে—আমরা কিছুই জানি না। আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। তাকে উদ্ধারে সরকারের সহযোগিতা চাই।’
মাসুমের মা মাসুদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে সদ্য বিয়ে করেছে। কাজের জন্য বিদেশে গেছে বলে আমাদের জানিয়েছিল। প্রথম দুই মাস যোগাযোগ থাকলেও এখন আর তার সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। আমি সারাক্ষণ তার পথ চেয়ে থাকি। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমার ছেলেকে আমার বুকে ফিরিয়ে দিন।’
এই বিষয়ে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে পরিবারটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন