প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক স্বীকৃতির জোর দাবি জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার মূল দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতা কাঠামোর জরুরি ও আমূল সংস্কারের আহ্বান জানান।
সাধারণ পরিষদের মঞ্চে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে এরদোয়ান বলেন, ৮১ বছর আগে যে লক্ষ্য ও আদর্শ নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সংস্থাটি আজ সেই উদ্দেশ্য পূরণে পুরোপুরি ব্যর্থ এবং কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের এটি মেনে নেওয়া উচিত, ১৯০টিরও বেশি দেশের সার্বিক ইচ্ছাকে মাত্র ৫টি দেশের খেয়ালখুশির ওপর জিম্মি করে রাখার যে ব্যবস্থা, তা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত হতে পারে না। এই ব্যবস্থা বিশ্বের মানুষের পূর্ণ আস্থা অর্জনেও পুরোপুরি ব্যর্থ।’ নিরাপত্তা পরিষদকে আরও বিস্তৃত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক সংস্থায় রূপান্তরের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
যেসব দেশ এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি, তাদের অবস্থান অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানান এরদোয়ান। একই সঙ্গে চলমান রক্তক্ষয় ও সংঘাত বন্ধে ইসরায়েলের ওপর সর্বোচ্চ বৈশ্বিক চাপ প্রয়োগের ওপর জোর দেন তিনি।
ন্যাটোভুক্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও গাজায় সামরিক অভিযানের শুরু থেকেই ইসরায়েলের কঠোর সমালোচক হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে তুরস্ক। আঙ্কারার স্পষ্ট অভিযোগ, গাজায় পরিচালিত অভিযান স্পষ্টতই গণহত্যার শামিল এবং এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার ও কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। তবে বরাবরের মতো শুরু থেকেই গণহত্যার এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে আসছে ইসরায়েল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন