প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে রাখা এক লাখের বেশি জীবন্ত তেলাপোকা জব্দ করেছে। এসব তেলাপোকার বাজারমূল্য প্রায় দেড় লাখ মার্কিন ডলার। এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিদেশি অমেরুদণ্ডী প্রাণী জব্দ অভিযানের মধ্যে একটি।
গত মাসে নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের বাথার্স্ঠ শহরের একটি বাণিজ্যিক প্রজনন কেন্দ্র থেকে এসব তেলাপোকা উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, পরিবেশ ও পানি বিষয়ক দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জব্দ করা তেলাপোকাগুলোর মধ্যে মাদাগাস্কার হিসিং ককরোচ ও ডুবিয়া ককরোচ প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এদের সম্মিলিত বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার মার্কিন ডলারের সমমান।
মাদাগাস্কার হিসিং ককরোচ, বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলাপোকা প্রজাতির একটি, সাধারণত ২ থেকে ৩ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের হয়ে থাকে। দপ্তরের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, চকচকে বাদামী রঙের এসব পোকা মানুষের আঙুলের চেয়ে বড়।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ তেলাপোকা আকারে তুলনামূলকভাবে ক্ষুদ্র, প্রায় দশমিক ৯ থেকে ১ দশমিক ৪ ইঞ্চি।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন যে, এসব বড় আকারের বিদেশি ককরোচ সরীসৃপের খাবার হিসেবে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল। তবে কর্তৃপক্ষ পোষা প্রাণীর মালিকদের বিকল্প হিসেবে ঝিঁঝিঁপোকা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে।
আইন অনুযায়ী, এই দুই প্রজাতির তেলাপোকা অস্ট্রেলিয়ায় আমদানি, পালন বা বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেভাবেই সংগ্রহ করা হোক না কেন, এগুলো রাখা বা প্রজনন করা আইনত একটি অপরাধ।
অস্ট্রেলিয়ায় কৃষি ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় কঠোর বায়োসিকিউরিটি ব্যবস্থা রয়েছে। অবৈধ প্রাণী বা পোকামাকড়ের সংরক্ষণ বা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকলে বড় অঙ্কের জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব বিদেশি তেলাপোকা পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করতে সক্ষম এবং স্থানীয় বন্যপ্রাণীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। জব্দ হওয়া ককরোচগুলো ধ্বংস করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। বার্তা সংস্থা এপি তাকে ‘ককরোচ কিংপিন’ নামে উল্লেখ করেছে।
নাইননিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন