প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে আফগানিস্তান। দলের এমন হতাশাজনক বিদায়ের পর টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে রশিদ খানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে ওপেনিং ব্যাটার ইব্রাহিম জাদরানকে নিয়োগ দিয়েছে। অধিনায়ক পদ থেকে বাদ পড়ার বিষয়ে সাবেক এই অধিনায়ক মুখ খুলেছেন। তিনি জানান, বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি।
রেড বুলের সৌজন্যে ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রশিদ খান বলেন, ‘সে সময় আসলে কী ঘটেছিল তা আমিও জানি না। বোর্ড যখন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে, তখনই আমি অধিনায়কত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি জানতে পারি।’
২০২৬ সালের বিশ্বকাপে দলের খারাপ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও, রশিদের অধীনে আফগানিস্তানের সামগ্রিক রেকর্ড ছিল সন্তোষজনক। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য ছিল ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছানো। তিনি মোট ৪৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যেখানে আফগানিস্তান ২৬টি ম্যাচে জয় এবং ২২টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করেছে।
আফগান অধিনায়কদের মধ্যে সাফল্যে কেবল আসগর আফগানই রশিদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তবে আসগরের অধিনায়কত্বের সময় আফগানিস্তান বেশিরভাগ ম্যাচই খেলেছে র্যাংকিংয়ের নিচের সারির দলের বিরুদ্ধে।
রশিদ খান আরও বলেন, ‘আমার অধিনায়কত্বে আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছি, আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছি, কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু জিনিস আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে না।’
তবে এখন আমি সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গেছি। অধিনায়ক থাকি আর না থাকি, আমি গর্বিত যে আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করছি এবং আমার যে দক্ষতা রয়েছে, তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি। দেশের জন্য নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দলকে জেতানো লক্ষ্য বলেও যোগ করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন