প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : মঙ্গলবার জাপানের কোস্ট গার্ড জানায়, চীনের একটি গবেষণা জাহাজ দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজেড)-এ অনুমোদনহীন জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করায় বারবার নির্দেশ দেয়ার পর জাহাজটি ওই এলাকা ত্যাগ করেছে।
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের ইশিগাকি দ্বীপের প্রায় ৭০ কিলোমিটার (৪৫ মাইল) উত্তরের জলসীমায় চীনা জাহাজ ‘কেক্সুয়ে’-কে প্রথম ২৭ সেপ্টেম্বর দেখা যায়।
জাপান কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র মাসাশি আসানো বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বেতার বার্তার মাধ্যমে ওই জাহাজটিকে গবেষণা কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
আসানো উল্লেখ করেন, তারা জানায় যে জাপানের সামুদ্রিক অঞ্চলে অনুমতি ছাড়া বৈজ্ঞানিক গবেষণা “বরদাশত করা হবে না”।
অবশেষে শুক্রবার জাহাজটি ওই এলাকা ছেড়ে চলে যায়।
আসানো জানান, গত বছরের তুলনায় জাপানের ইইজেড অঞ্চলে চীনা জাহাজগুলোর অনুমোদনহীন গবেষণা কার্যক্রমের সংখ্যা ইতোমধ্যেই দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে।
জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো দেশের উপকূল থেকে সর্বোচ্চ ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত এক্সক্লুসিভ ইকোনোমিক জোনে বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনার জন্য ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও ব্যবহারের অধিকার থাকা দেশের সম্মতি প্রয়োজন।
আসানো বলেন, জাপানের ইউজেড অঞ্চলে অনুমোদনহীন গবেষণার ঘটনা ‘হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে’, বিশেষ করে জাপান ও ফিলিপাইন সামুদ্রিক সীমান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু করার ঘোষণা দেওয়ার সময়ের কাছাকাছি থেকেই এই ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত এমন ১৪টি ঘটনা ঘটেছে। গত বছর হয়েছিল ছয়টি এবং তার আগের তিন বছরে প্রতি বছর এক বা দুটি করে ঘটনা ঘটেছিল।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস ২৮ মে একমত হন যে, দুই দেশের মধ্যে ‘এক্সক্লুসিভ ইকোনোমিক জোনে ও মহীসোপানের সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণের’ জন্য আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, এর লক্ষ্য হলো ‘অঞ্চলে আইনি নিশ্চয়তা বৃদ্ধি করা।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন