প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিতর্কিত পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে কথা বলার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবারের বিশ্বকাপে নতুন একটি আইন কার্যকর করেছে ফিফা। এই আইনের আওতায় দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে গতকাল লাল কার্ড দেখেছেন ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকেপি।
মঙ্গলবার আজটেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে ইকুয়েডর মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে, মেক্সিকোর ফরোয়ার্ড সান্তি জিমেনেসের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে হিনকেপিকে সরাসরি লাল কার্ড প্রদর্শন করেন ম্যাচের রেফারি।
এই নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য হচ্ছে মাঠে আরও স্বচ্ছতা সৃষ্টি করা এবং খেলোয়াড়দের অশোভন আচরণকে নিরুৎসাহিত করা। আইন অনুযায়ী, যখন কোনো খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ঢেকে কথা বলেন, তখন তাকে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। কারণ মুখ ঢেকে কথা বললে, ম্যাচ কর্মকর্তাদের এবং টেলিভিশন ক্যামেরার কাছ থেকে আপত্তিকর বা অপমানজনক ভাষা আড়াল করা সম্ভব হয়।
নতুন আইন অনুযায়ী প্রথম লাল কার্ডটি প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগেল আলমিরন দ্রষ্টব্য করেছেন। তিনি ২০ জুন লেভাইস স্টেডিয়ামে তুরস্কের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে প্যারাগুয়ে ১-০ গোলে জয়ের পর আইন ভঙ্গ করায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।
ফিফা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোতে শৃঙ্খলার মানকে আরও জোরদার করার এবং খেলোয়াড়দের সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
টুর্নামেন্টের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, মৌখিক অপব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করার এবং খেলোয়াড়দের আচরণের জন্য আরো বেশি জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যই এই নিয়মের মূল লক্ষ্য।
ইকুয়েডরের বিশ্বকাপ অভিযান মেক্সিকোর কাছে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হলেও, ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী হিনকেপির এই নিষেধাজ্ঞা ইকুয়েডরের পরবর্তী আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক ম্যাচেও বহাল থাকবে।
এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, চলমান বিশ্বকাপ এবং ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলোতে নতুন আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রয়োগে ফিফা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন