প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের মারধরে দর্জি হোসেন আহমেদের (৫০) মৃত্যু ঘটে। রবিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের কাজিরদিঘির পাড় বাজারে এই ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেল ফেরত দিতে তালবাহানা করার জের ধরে ১০ মিনিটের কথা বলে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহত হোসেন উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের হামছাদী গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত সুলতান আহম্মদের পুত্র। পেশায় তিনি দর্জি ছিলেন। মারধরের ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম আহত হয়েছেন। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের মতে, সাইফুলের মোটরসাইকেল একই বাড়ির শাকিল ১০ মিনিটের কথা বলে নেয়। ১৯ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেল নেওয়ার পর তা ফেরত দিতে তালবাহানা করে। এর ফলস্বরূপ শাকিল ও বিপ্লবের মারধরে সাইফুলের বাবার মৃত্যু ঘটে।
এদিকে, হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা যায়।
ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান জানান, সাইফুল শাকিলের কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি ফেরত চাইলে শাকিল তালবাহানা করে। এ নিয়ে কাজিরদিঘিরপাড় বাজারে বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু শাকিল বৈঠকে বসতে রাজি না হলে মোটরসাইকেলের মালিক সাইফুল ও তার বাবা হোসেনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর সাইফুল ও বিপ্লব মিলে হোসেনকে মারধর করে, যার ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, "গত ১৯ অক্টোবর ১০ মিনিটের কথা বলে আমার কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে যায় শাকিল। এরপর গাড়ি ফেরত না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার কথা বলি। গত শনিবার গাড়ি ফেরত দেওয়ার কথা বলে আমাদের বসতে ডাকে। পরে আমি, আমার বাবা ও মেজো ভাই গাড়ি আনতে গেলে শাকিল আমার বাবার বুকে ও নাকে আঘাত করে। এতে আমার বাবার মৃত্যু হয় এবং আমিও আহত হই। আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।"
সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জহুরুল ইসলাম রনি জানান, মৃত অবস্থায় হোসেনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, মোটরসাইকেলকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন