প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের অটোরিকশাচালক জামাল হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত, যা ১৫ বছর পর দেওয়া হলো। রায় অনুযায়ী, একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবনদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক নাজমুন্নাহার সুমি এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।
মামলাটিতে মনিরুল ইসলাম রঞ্জু, যিনি গালপোড়া রঞ্জু নামেও পরিচিত, তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। অন্যদিকে, মো. আকাশ আহম্মেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর দুই আসামি মো. আরাফাত খান ওরফে শান্ত এবং মো. খোকন মিয়াকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রেসিডেন্ট রোডের আমলাপাড়ার পেছনে মো. কাউছার ইকবালের বাড়ির এক টয়লেটের পেছন থেকে অটোরিকশাচালক জামালের মরদেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে জামালের চালিত অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়। পরে র্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুসহ চারজনকে আটক করে।
নিহত জামালের স্ত্রী সখিনা বেগম বাদী হয়ে ২০১১ সালের ১৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে, মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ও তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর আদালতে দাখিল করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রমের পর আদালত মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, এবং ২ নম্বর আসামি মো. আকাশ আহম্মেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, আদালতের রায়ে দুজনকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং অন্যদিকে ৩ নম্বর আসামি মো. আরাফাত খান ওরফে শান্ত এবং ৪ নম্বর আসামি মো. খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন