প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে অর্ণবের পর। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে গঠিত একটি নিম্নচাপ আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং পহেলা নভেম্বরের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হিন্দুস্তান টাইমস শনিবার ভারতের আবহাওয়া বিভাগের সূত্রে এই তথ্য জানিয়েছে। পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হওয়ার পর আবহাওয়াব্যবস্থাটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
দেশটির আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে এটি অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের নিকটবর্তী পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে।
এর আগে, ২৬ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে গঠিত একটি গভীর নিম্নচাপ থেকে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। বাংলাদেশ এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করেছিল।
শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার ভোরে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে। উপকূলে আছড়ে পড়ার পর ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শেষ হতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পৃথক ঘটনায় রাজ্যটিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কেউ গাছ ভেঙে পড়ার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, অর্ণব উপকূলে আঘাত হানার সময় ‘অতি প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ের রূপে ছিল। এটি সংস্থাটির নির্ধারিত শক্তিমাত্রার তৃতীয় সর্বোচ্চ শ্রেণি। তবে বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঝড়টি ‘প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ে দুর্বল হয়ে পড়ে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন