প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একসাথে ৩ পুত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার পর কল্পনা বেগমের জীবন দুশ্চিন্তায় কাটছে। গত রবিবার কিছু গণমাধ্যমে এই সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমৃত দেবনাথের নজরে আসলে, আজ সোমবার দুপুরে তিনি কল্পনা বেগম ও তার পরিবারকে নিজ দপ্তরে ডেকে নিয়ে ১০ হাজার টাকা নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। কল্পনা বেগম (২৫) নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ এলাকার জায়দুল হকের স্ত্রী।
বর্তমানে কল্পনা বেগম তার দিনমজুর বাবার বাড়ি ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার গ্রামে তিন সন্তানকে নিয়ে অবস্থান করছেন। কল্পনার স্বামী একজন বাকপ্রতিবন্ধী এবং হোটেলে দিন মজুরের কাজ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ আগস্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কল্পনা তিন সন্তানের জন্ম দেন। তিন সন্তানের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হোসাইন ও বেল্লাল। জন্মের পর হাসানের ওজন ছিল ২ কেজি এবং হোসাইন ও বেল্লালের ওজন ছিল ১ কেজি ৯০০ গ্রাম করে।
সন্তান তিনটির বয়স এক মাস পেরিয়েছে। সন্তান তিনটি সুস্থ থাকলেও কল্পনা বেগমের অপারেশন স্থলে ইনফেকশন হওয়ার কারণে তিনি গত এক মাস ধরে অসুস্থ। বর্তমানে তিন নবজাতক ও অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা খরচ এবং খাবার জোগাতে গিয়ে ওই দিনমজুর পরিবারের জীবন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটছে।
কল্পনা বেগম জানান, বর্তমানে তার নিজের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকার ওষুধ এবং তিন নবজাতকের জন্য দুই প্যাকেট দুধ প্রয়োজন। এতে প্রায় ৬০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে।
"ইউএনও স্যার আমাকে আজ দশ হাজার টাকা দিয়েছেন। আমি খুব খুশি। আমার সন্তান তিনটিকে বাচাতে সকলের সহযোগিতা চাই।"
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, পরিবারটির খোঁজ খবর নিয়ে প্রথমে তিন হাজার টাকা নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। আজ (সোমবার) ১০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন