প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামাবাদভিত্তিক গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফ্রিডম নেটওয়ার্ক। সংস্থাটি জানায়, যদিও কাগজে-কলমে কিছু অপতৎপরতা কম দেখা যাচ্ছে, বাস্তবে গণমাধ্যমকর্মীরা নিয়মিতভাবে হুমকি, শারীরিক হামলা এবং ক্রমবর্ধমান আইনি হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
‘সহিংসতা থেকে আইনি লড়াই : সাংবাদিকদের জন্য শাস্তি হিসেবে প্রক্রিয়া’ শীর্ষক ‘দণ্ডমুক্তি প্রতিবেদন ২০২৬’-এ উল্লেখ করা হয়েছে, পাকিস্তানে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১০টি হামলার ঘটনা ঘটছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে একজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নিহত হন। এছাড়া তিনটি হত্যাচেষ্টা, ১৮টি সহিংসতার হুমকি, ১১টি শারীরিক হামলা এবং ৪৫টির বেশি আইনি পদক্ষেপ বা আইনি হয়রানির হুমকির ঘটনা নথিভুক্ত করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৯টি ঘটেছে পাঞ্জাবে। এরপর খাইবার পাখতুনখোয়া, ইসলামাবাদ এবং বেলুচিস্তান রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ডিজিটাল ও স্বাধীন সাংবাদিকেরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছেন।
এতে আরো বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ঘটনার সঙ্গে সরকারি কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেছেন।
প্রতিবেদনে পাকিস্তানের ইলেকট্রনিক অপরাধ প্রতিরোধ আইন (পেকা) ব্যবহারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থাটির মতে, এই আইনের অপব্যবহার করে ভিন্নমত দমন এবং দুর্নীতি ও সরকারি ব্যয় নিয়ে প্রতিবেদন করা সাংবাদিকদের হয়রানি করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন