প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’ মেনে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলছেন, চলচ্চিত্রে তামাক ও মাদকের নেতিবাচক উপস্থাপন তরুণ সমাজের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলছে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে চলচ্চিত্রে তামাকের ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং আইন বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
রবিবার (২৬ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‘চলচ্চিত্রে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বাস্তবায়ন: পরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) জহির রায়হান অডিটরিয়ামে এ সভার আয়োজন করে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহিন সুমনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, মানসের সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষ সচেতন হলেও তামাক কম্পানিগুলোর বিভিন্ন প্রচারণা তামাক নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, নাটক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পীসহ সমাজের সবাইকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তামাকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে শাহীন সুমন বলেন, অনেক চলচ্চিত্রে নেতিবাচক চরিত্র দেখানোর ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ধূমপান ও মাদক সেবনের দৃশ্য রাখা হয়, যা তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ঠিক সে কারণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পরিচালক সমিতির সদস্যদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বক্তারা জানান, সংশোধিত আইনে সিনেমা, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের দৃশ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চলচ্চিত্রে সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরতে হবে।
তারা আরো বলেন, নায়ক বা কেন্দ্রীয় চরিত্রের আচরণ দর্শকদের, বিশেষ করে তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলে।
তাহার কারণে ধূমপান ও মাদকের দৃশ্য পরিহার করে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ৩০ জনের বেশি পরিচালক এবং বিভিন্ন তামাক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন