প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচের কিছু টিকিটের পুনর্বিক্রয় মূল্য আকাশ ছুঁয়েছে।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো কিংবা লুকা মদ্রিচকে বিশ্বকাপে শেষবারের মতো দেখার সম্ভাবনা থাকায়, কানাডার টরোন্টো স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচের কিছু টিকিটের দাম ৩০ হাজার কানাডিয়ান ডলার (প্রায় ২১ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ২৬ লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।
টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিটিভি নিউজ-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সিটগ্যাকে কিছু আসনের মূল্য ৩০ হাজার কানাডিয়ান ডলারেরও বেশি। এছাড়া সিটগ্যাক ও স্টাবহাব-এ আরও অনেক টিকিট কয়েক হাজার ডলারে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত ছিলো।
একটি একক আসনের সবচেয়ে কম দামের টিকিটও ছিল ২ হাজার ৬০০ ডলারের বেশি। অথচ ২০২৫ সালে ফিফা যখন আনুষ্ঠানিকভাবে টিকিট বিক্রি শুরু করেছিল, তখন এর মূল্য ছিল ৩৩৫ থেকে ৮৭৫ ডলারের মধ্যে।
টরোন্টোতে বসবাসকারী পর্তুগিজ ও ক্রোয়েশীয় বংশোদ্ভূত মানুষের বড় উপস্থিতির কারণে ম্যাচটি শহরটিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বৃহত্তর টরোন্টো এলাকায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত এবং ৩৫ হাজার ক্রোয়েশীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বাস করেন। এই বড় সমর্থকগোষ্ঠীর কারণে নকআউট পর্বের ম্যাচটির টিকিটের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ম্যাচটির আবেগঘন গুরুত্ব। পর্তুগাল বা ক্রোয়েশিয়া হেরে গেলে এটি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো অথবা লুকা মদ্রিচের ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হতে পারে। বিজয়ী দল চলে যাবে শেষ ষোলোতে, আর পরাজিত দল বিদায় নেবে টুর্নামেন্ট থেকে।
মজার বিষয় হলো, টরন্টো যে অন্টারিও প্রদেশে অবস্থিত, সেখানে চলতি YEAR-এ টিকিটের মূল দামের চেয়ে বেশি দামে পুনর্বিক্রয় নিষিদ্ধ করে আইন পাস করা হয়েছে। তবে পুনর্বিক্রয় প্ল্যাটফর্মগুলো জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা মূল টিকিট কত দামে কিনেছিলেন তা যাচাই করা কঠিন হওয়ায় এই আইন কার্যকর করা বাস্তবে বেশ চ্যালেঞ্জিং।
সূত্র : রয়র্টাস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন