প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত জাতিসংঘের মঞ্চে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য আবারও তীব্র সমালোচনা করেছে। দিল্লি বিশ্ব সম্প্রদায়কে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, বিশ্বের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা কোনো অখ্যাত সীমান্ত এলাকায় নয়, বরং সাধারণ মানুষের বসতিতে অবস্থান করে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পারভাথানেনি ৯/১১ হামলার সাথে জড়িত আল-কায়দা নেতাদের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ওসামা বিন লাদেন, খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও রামজি বিনালশিবদের মতো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা কোনো দুর্গম পাহাড়ে নয়, বরং পাকিস্তানের জনবহুল শহরাঞ্চলে অবস্থান করছিল। তিনি ২০১১ সালে অ্যাবোটাবাদে মার্কিন অভিযানে ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার ঘটনাটি উল্লেখ করে বলেন, সন্ত্রাসবাদের এই মূল হোতারা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষায় লোকালয়ে আশ্রয় পেয়েছিল।
হরিশ পারভাথানেনি সতর্ক করে বলেন, অতীতে আল-কায়দাকে প্রশ্রয় দেওয়া সেই একই পরিবেশ বর্তমানে লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের মতো গোষ্ঠীগুলোকেও আশ্রয় ও দায়মুক্তি দিয়ে চলেছে। তিনি জানান, এই গোষ্ঠীগুলো নাম বদলে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর চেষ্টা করছে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর আওতায় ভারতীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে এসব সংগঠনের প্রশিক্ষণ শিবির ও অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছিল।
ভারতীয় প্রতিনিধি জাতিসংঘে জোর দিয়ে বলেন, যাতে কোনো দেশ বা সাধারণ মানুষ নতুন করে সন্ত্রাসী হামলার শিকার না হয়, সেজন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সব ধরনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন