প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, আখতারুজ্জামান জামায়াতের আওয়ামিলীগ বিষয়ক সম্পাদক।
তিনি এই মন্তব্যটি শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।
আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি একটি পুরোনো সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে সরকারের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান যে আচরণ প্রদর্শন করেছেন, তা প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না। তার আচরণ ছিল অত্যন্ত উগ্র, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেদিনের যাত্রী হয়রানির ঘটনায় জড়িত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ। একইসাথে, বিমানবন্দরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে উগ্র আচরণ এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য আখতারুজ্জামানকেও আটক করেছে ডিবি।
আখতারুজ্জামান জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকে রাজাকারদের আন্দোলন বলে উল্লেখ করেছিলেন। তার বক্তব্যের ধরন বরাবরই উগ্র। তখনকার ভিডিওগুলো দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকে রাজাকারদের আন্দোলন বলা সেই আওয়ামী বয়ানকারী আখতারুজ্জামান জামায়াতে যোগ দেওয়ার পর মনে হচ্ছে পবিত্র হয়ে গেছেন, যদিও জামায়াতের নীতি এমন যে যত খারাপ লোকই হোক, তাদের দলে যোগ দিলে সব কিছু জায়েজ। আখতারুজ্জামান জামায়াতের আমীরের হাত ধরে দলে যোগ দিয়ে জামায়াতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামে সামনের সারিতে বসে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিতেন।
আখতারুজ্জামানকে আটকের পর জামায়াত বিভিন্ন স্থানে তার মুক্তির দাবিতে প্রোগ্রাম করেছে। তবে একটি ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, নিরপেক্ষ জামাতিরা প্রশ্ন তুলছে, মিডিয়া কিভাবে আখতারুজ্জামানকে জামায়াতের নেতা বলে অভিহিত করছে।
সবশেষে তিনি বলেন, আখতারুজ্জামানের জুলাই আন্দোলনের সময়ের বক্তব্য এবং বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল করলে বোঝা যাবে, আখতারুজ্জামান হচ্ছেন জামায়াতের আওয়ামিলীগ বিষয়ক সম্পাদক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন