প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবলের সঙ্গে কুসংস্কার কিংবা অদ্ভুত কাকতালীয় ঘটনার সম্পর্ক নতুন নয়। সমর্থক শুরু করে ফুটবলার, কোচ— অনেকেই মনে করেন, কিছু ঘটনা যেন ভাগ্যের ইঙ্গিত বহন করে। তাই বড় কোনো টুর্নামেন্টে অতীতের স্মৃতি যখন বর্তমানের সঙ্গে মিলে যায় তখন সেটি মুহূর্তেই আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনকে নিয়ে ঠিক এমনই একটি আলোচনার শুরু হয়েছে। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ জিতেছিল ‘লা রোহা’। এখন ১৬ বছর পর ২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও ২০১০ বিশ্বকাপের কিছু মিল দেখা যাচ্ছে। যদিও মাঠের পারফরম্যান্সে এসব কাকতালীয় ঘটনার কোনো প্রভাব না থাকলেও, শিরোপা স্বপ্নে নতুন করে আশার রসদ জোগাচ্ছে এসব ঘটনা।
উদ্বোধনী ম্যাচে একই দেশ, একই তারিখ:
২০১০ বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১১ জুন, যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকো। এখন আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, ২০২৬ বিশ্বকাপও আবার শুরু হয়েছে ১১ জুনেই এবং উদ্বোধনী ম্যাচেও একই দুই দল খেলেছে। শুধুমাত্র স্বাগতিক ও সফরকারী দলের অবস্থান পাল্টে গেছে।
আবারও ‘গ্রুপ এইচ’-এ স্পেন:
২০১০ সালে স্পেন বিশ্বকাপ জয়ের অভিযান শুরু করেছিল ‘গ্রুপ এইচ’- থেকে। ২০২৬ সালের ড্রতেও তাদের অবস্থান একই গ্রুপে। ফলে অনেক সমর্থক এটিকে শুভ লক্ষণ হিসেবে দেখছেন।
ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই বিশ্বকাপে:
দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে স্পেন ছিল ২০০৮ ইউরো চ্যাম্পিয়ন। এবারও তারা বিশ্বকাপে এসেছে ইউরোপের বর্তমান সেরা দল হিসেবে, কারণ তারা ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে।
বিশ্বকাপের বছরেই রিয়াল মাদ্রিদে মরিনহো:
২০১০ সালে স্পেনের বিশ্বজয়ের ঠিক আগে হোসে মরিনহো রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ২০২৬ সালেও বিশ্বকাপের বছরেই আবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরে এসেছেন এই পর্তুগিজ কোচ। এটিও আলোচনার অন্যতম এবং বড় বিষয় হয়ে উঠেছে।
শেষ ষোলোতে আবারও পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারানো:
২০১০ বছরের বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল স্পেন। কাকতালীয়ভাবে ২০২৬ সালেও একই পর্যায়ে দুই দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে এবং ফলাফলও একই, ১-০ ব্যবধানে স্পেনের জয়।
আবারও বার্সেলোনা-নির্ভর স্প্যানিশ দল:
২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের আটজন খেলোয়াড় ছিলেন বার্সেলোনার। ২০২৬ সালের স্কোয়াডেও বার্সেলোনার ঠিক আটজন প্রতিনিধি রয়েছেন— জোয়ান গার্সিয়া, এরিক গার্সিয়া, পাউ কুবারসি, গাভি, পেদ্রি, দানি ওলমো, ফেরান তোরেস এবং লামিনে ইয়ামাল। দুই সময়ের দলই প্রায় একইভাবে গড়ে উঠেছে বার্সেলোনা-ভিত্তিক কাঠামোর ওপর।
বিশ্বকাপে আবারও শাকিরার উপস্থিতি:
২০১০ বিশ্বকাপ মানেই শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’— যা আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় বিশ্বকাপ সংগীত। ২০২৬ আসরেও শাকিরা ফিরেছেন নতুন গান ‘দাই দাই’ নিয়ে। ফলে অনেকের কাছে এটিও ২০১০ সালের স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনার আরেকটি কাকতালীয় ঘটনা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন