প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গতকাল জনৈক মোঃ মেহেদী হাসান (২৩), পিতা- মোঃ আতোয়ার রহমান, সাং- হাতিমনডোলা, থানা- মহাদেবপুর, জেলা- নওগাঁ, তার মামার সাথে সাক্ষাত করতে নওগাঁ সদর থানার অধীন দুবলহাটি মোড়ে আসেন। মামার সাথে দেখা করে কাজ শেষ করার পর, তার মামা সাগর রাত ০৯:৪০ ঘটিকার সময় দুবলহাটি মোড় থেকে হাপানিয়া যাওয়ার জন্য একটি চার্জার রিকশা ভাড়া করে দেন। তখন রিকশাটি সদর থানার অধীন দুবলহাটি ইন্টিতলা মোড় নামক স্থানে পৌঁছালে একজন ব্যক্তি রিকশায় ওঠার জন্য দাঁড়ায়।
মেহেদী উক্ত ব্যক্তিকে রিকশায় উঠতে নিষেধ করেন, তখন লোকটি তার রিকশা ড্রাইভারের বন্ধু বলে পরিচয় দিয়ে জানান যে তিনি একটু সামনে গিয়ে নেমে যাবেন। এরপর, রিকশার ড্রাইভার সেই ব্যক্তিকে রিকশায় তুলে সোজা রাস্তা ছেড়ে অন্য রাস্তা ধরে যেতে শুরু করেন। কিছু দূর গিয়ে, রিকশার ড্রাইভার রিকশা থামিয়ে তার বন্ধু পরিচয় দেয়া ব্যক্তির সাথে আলাপ করেন।
বিষয়টি মেহেদী হাসানের সন্দেহের সৃষ্টি করে। সে প্রশ্রাব করার কথা বলে রাতের অনুমান ১০:৪৫ ঘটিকায় হাঁপানিয়া ইউনিয়নের শতপুর পুটিমারী পাকা রাস্তার উপর রিকশা থেকে নেমে আসে। তখন আসামীরা ১) মোঃ সুলতান শাহরিয়ার @ দেওয়ান সিফাত (২০), পিতা- দেওয়ান মাহবুব আলম, সাং- দেওয়ান পাড়া কুশাডাঙ্গা এবং ২) মোঃ আঃ ওয়াহেদ (২৪), পিতা- মোঃ হামিদ মোল্লা, সাং- কুশাডাঙ্গা পশ্চিম পাড়া, উভয় থানা ও জেলা- নওগাঁ সদর মেহেদী হাসানকে ধরে ফেলে। প্রথম আসামী রিকশা ড্রাইভার তীব্র ধারালো চাকু বের করে অতর্কিতে আক্রমণ করে এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে ওয়ালেটে থাকা ৫০০০ টাকা এবং একটি সিম্পনি বাটন মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নেয়।
এদিকে, মেহেদী হাসান এর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ছিনতাইকারীদের ঘেরাও করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাত ১১:২০ ঘটিকায় এবং আসামীদের গ্রেফতার করে। পুলিশ অতঃপর আসামীদ্বয়ের হেফাজত থেকে ছিনতাই হওয়া সমস্ত টাকা, মোবাইল ফোন এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত ধারালো চাকু ও রিকশা উদ্ধার করে জব্দ করে। এ বিষয়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন