প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উবারের কর্মী সংখ্যা ৩,৩০০ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা জেন-জি কর্মীদের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক রাইড শেয়ারিং কোম্পানি উবার একটি বড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিশ্বব্যাপী কর্মী সংখ্যা থেকে প্রায় ১০ শতাংশ ছাঁটাই করবে। ফলে প্রায় ৩,৩০০ কর্মী চাকরি হারানোর সম্ভাবনায় রয়েছে।উবারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির মোট কর্মী সংখ্যা প্রায় ৩৬,৬০০। এর মধ্যে ১৪,৬০০ কর্মী যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত রয়েছেন।তবে উবারের প্ল্যাটফর্মের চালক ও কুরিয়ারদের এই ছাঁটাইয়ের আওতায় ধরা হবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। উবার জানিয়েছে, তাদের বৈশ্বিক কর্মীদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় কর্মরত। সেখানে সান ফ্রান্সিসকো ও সানিভেলে উবারের প্রধান কার্যালয় এবং অন্যান্য অফিস রয়েছে।প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারা খসরোশাহি উল্লেখ করেন, ‘আমরা ব্যবস্থাপনার স্তর কমাচ্ছি, টিমের কাঠামো সহজ করছি, বৈশ্বিক অবস্থান কৌশল পুনর্বিন্যাস করছি এবং সামনে থাকা সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর দিকে আমাদের কর্মী ও বিনিয়োগকে কেন্দ্রীভূত করছি।’এছাড়া, এই পুনর্গঠনের প্রভাব চাকরি হারানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে উবার তাদের রিমোট ওয়ার্ক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। এর ফলে নমনীয় কর্মপরিবেশে অভ্যস্ত জেন-জি কর্মীদের ওপর চাপ বাড়তে পারে।খসরোশাহি জানান, বৈশ্বিক টিমগুলোকে নিউইয়র্ক ও সান ফ্রান্সিসকোর মতো বড় হাবগুলোতে, আঞ্চলিক টিমগুলোকে নির্ধারিত আঞ্চলিক হাবে, স্থানীয় টিমগুলোকে সংশ্লিষ্ট দেশের হাবে এবং প্রযুক্তি টিমগুলোকে নির্ধারিত টেক হাবে কেন্দ্রীভূত করা হবে।
ভবিষ্যতে উবারের মাত্র ১ শতাংশ কর্মী পুরোপুরি রিমোট পদ্ধতিতে কাজ করবেন। অর্থাৎ, বাড়ি থেকে কাজ করতে অভ্যস্ত হাজারো কর্মীকে নির্ধারিত অফিসের কোনো কেন্দ্রে গিয়ে কাজ করতে হতে পারে।
খসরোশাহি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের হাইব্রিড কর্মনীতি মেনে চলার বিষয়টিও আরও জোরদার করব। এই নীতি অনুযায়ী কর্মীদের সপ্তাহে তিন দিন অফিসে কাজ করতে হবে।’
এভাবে মহামারির সময় চালু হওয়া নমনীয় কর্মব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার তালিকায় উবারও যুক্ত হলো। বিশেষ করে তরুণ কর্মীরা এই পরিবর্তনের প্রভাব বেশি অনুভব করতে পারেন।
এদিকে, বিনিয়োগকারীরা উবারের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। ঘোষণার পর বুধবার সকালে উবারের শেয়ারের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন