প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাওনা টাকা চাওয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে একজন যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৮ জুন) রাত ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় এই সংঘর্ষটি চলছিল। নিহত যুবকের নাম হাদিস মিয়া। তিনি সরাইলের ধর্মতীর্থ চাকসার এলাকার সামসু মিয়ার ছেলে। খবর পেয়ে সরাইল থানা ও জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, সরাইলের সূর্যকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন পাঁচ লাখ টাকার চটাপাটি বিক্রি করেন ধরন্তি গ্রামের আশিক ও আলালের কাছে। মোশারফ টানা ৯ মাস ধরে পাওনা টাকা চেয়ে আসছিলেন।
রোববার বিকেলে পাওনাদার মোশারফের দেখা হয় আশিক ও আলালের সঙ্গে সরাইল শহীদ মিনার এলাকায়। এ সময় মোশারফ পাওনা টাকা চাইলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়; যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এই খবর উভয় পক্ষের এলাকায় পৌঁছালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। সংঘর্ষ চলাকালে হাদিস মিয়া টেঁটাবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। এই ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
সংঘর্ষে নিহত হাদিস মিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
তিনি আরও জানান, এলাকায় এখনো টানটান উত্তেজনা বিরাজ করেছ। পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন আছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন