প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল মাঠে ট্যাকল, ফাউল কিংবা হাতাহাতির কারণে লাল কার্ড দেখা একটি সাধারণ ঘটনা। তবে, প্রতিপক্ষ ফুটবলারের চুল ধরে টান দেওয়ার অপরাধে পরপর দুই খেলোয়াড়ের লাল কার্ড দেখার ঘটনা সম্ভবত ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটেছে। অদ্ভুত এই কাণ্ডটি কনকাকাফ নেশন্স লিগের ম্যাচে অ্যানগুইলা ও অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডার মধ্যে ঘটে।
ম্যাচের সময় অ্যানগুইলা ৫-০ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল। যখন হার নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছিল, তখন ৬৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে প্রবেশ করেন অ্যানগুইলার মিডফিল্ডার এইডান সিপিও। মাঠে প্রবেশ করার সাথে সাথে তিনি নিজের লম্বা চুলের কারণে পুরো খেলার পরিস্থিতি বদলে দেন।
সিপিওর ড্রেডলক স্টাইলের চুল এতটাই দীর্ঘ যে তা প্রায় তার গোড়ালি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সাধারণত, তিনি মাঠে খেলার সুবিধার্থে চুলগুলো কোমর দিয়ে বেঁধে রাখেন। কিন্তু মাঠে নামার মাত্র ৩ মিনিটের মধ্যে বিপত্তি ঘটে। অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডার ফুটবলার কেওন গ্রিন পেছন থেকে সিমিওর ঝুলন্ত চুল ধরে টান মেরে বসেন। রেফারি বিষয়টি সরাসরি দেখার পর কোনো দ্বিধা ছাড়াই গ্রিনকে ডিরেক্ট লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন।
এখনও বিস্ময়ের শেষ হয়নি! সতীর্থের এমন কাণ্ড থেকে শিক্ষা না নিয়ে অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডার আরেক খেলোয়াড়ও একইভাবে সিমিওর চুল ধরে টান দেন। এর ফলস্বরূপ, রেফারি তাকেও তাৎক্ষণিক লাল কার্ড দেখিয়ে ড্রেসিংরুমে পাঠান। ফলে, ৩ মিনিটের ব্যবধানে পরপর দুটি লাল কার্ড পেয়ে ৯ জনের দলে পরিণত হয় অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডা।
ম্যাচটি দলটি জিততে না পারলেও চলতি আন্তর্জাতিক বিরতিতে বদলি নেমে মাথার চুল দিয়ে প্রতিপক্ষকে এভাবে ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়ার ট্রল এখন বিশ্ব ফুটবলাঙ্গনে চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন