প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইনে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এই ঘটনায় ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) জুলফিকার হামিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবরটি প্রকাশ করেছে ডন।
টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিস্ফোরণের ফলে একটি ভবনের দেয়াল ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে জড়ো হয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে সহযোগিতা করছেন।
আইজি হামিদের প্রাথমিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কোহাট পুলিশ লাইনের একটি মসজিদে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধারণা করা হচ্ছে, বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি ভবনটিতে আঘাত করেছে।
তবে পরবর্তীতে দেয়া বিবৃতিতে আইজি জানান, স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের কাছে এক আত্মঘাতী হামলাকারী নিজের শরীরে থাকা বিস্ফোরক দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। এর পর সেখানে ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের গুলি বিনিময় শুরু হয়।
জুলফিকার হামিদ বলেন, ‘ফিতনা-উল-খাওয়ারিজকে পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশের মনোবল অটুট রয়েছে।
‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ শব্দটি পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সদস্যদের বোঝাতে ব্যবহার করে।
এদিকে, কেপির মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন। তার দপ্তর থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপরাধ মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা ‘গভীরভাবে দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য’।
তিনি আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
কেপির গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দিও বিস্ফোরণের নিন্দা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সন্ত্রাস নির্মূলে নিরাপত্তা বাহিনীর পাশে পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন