প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এই বক্তব্য তিনি বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ইম্প্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিস প্রজেক্ট (আইইউপিএইচপিএসপি) আয়োজিত সেমিনারে প্রদান করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ইতোমধ্যে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ধারাবাহিকভাবে তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এই জাতীয় কমিটির প্রথম সভা ইতোমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি আশা প্রকাশ করছি যে, আইইউপিএইচপিএসপি এই কাজের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও মশার লার্ভা এখনও তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যাবশ্যক। সচেতনতার জন্য কোনো বিকল্প নেই। এর সাথে সাথে অনলাইন প্রচারণা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিরোধমূলক আচরণ গড়ে ওঠে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। তিনি একটি পরিচ্ছন্ন শহর ও সুস্থ-সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান। তার নেতৃত্বে আমরা সম্মিলিতভাবে এই লক্ষ্য অর্জনের দিকে এগিয়ে যাব।
সভায় অন্যান্য বক্তারা উল্লেখ করেন, আইইউপিএইচপিএসপি বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্প। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো— শহরাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রোগ প্রতিরোধের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করা। বিশেষ করে নগর এলাকায় প্রতিরোধমূলক জনস্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণ এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রকল্পটি কাজ করছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান এনডিসি, আইইউপিএইচপিএসপির প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন