প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গোল্ডকোস্টে বসবাসরত নটরডেম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক আনন্দঘন প্রাতরাশ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। গত ৩১ আগস্ট সকালে গোল্ডকোস্টের মনোরম Salacia Waters Cafe & Restaurant-এ ব্রিসবেন ও গোল্ডকোস্টের নটরডেমিয়ানদের জন্য এই প্রাণবন্ত আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যানবেরা থেকে আগত অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বুরহান উদ্দিন। তিনি নিজেও নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী হওয়ায়, তাঁর উপস্থিতি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।
নদীর পাড়ের মনোরম পরিবেশে আয়োজিত এই মিলনমেলায় নবীন ও প্রবীণ নটরডেমিয়ানরা একত্রিত হয়ে কলেজ জীবনের সোনালি দিনগুলোর স্মৃতিতে ফিরে যান। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় সকালজুড়ে চলে প্রাণখোলা আড্ডা, হাসি-আনন্দ ও পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন যীশু দাস। পরিচয়পর্ব শেষে স্মৃতিচারণ ও মুক্ত আলোচনা শুরু হয়। ডা. সৈকত, আতিক এবং অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আতিফুর রহমান জেরিন তাঁদের কলেজ জীবনের নানা ঘটনা ও স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। তাঁদের হাস্যরসাত্মক ও আবেগঘন স্মৃতিচারণে উপস্থিত সবাই যেন ফিরে যান নটরডেম কলেজের সেই সোনালি দিনগুলোতে।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার এফ এম বুরহান উদ্দিন উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং নটরডেম জীবনের নানা স্মৃতি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। একই সঙ্গে তিনি নিজের কলেজজীবনের স্মৃতিও সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন।
মিলনমেলায় শুধু স্মৃতিচারণ ও আনন্দ-আড্ডাই নয়, নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবও উঠে আসে।
ডা. সাজিদুল ইসলাম নটরডেম কলেজের জন্য একটি ডিফিব্রিলেটর (Defibrillator) স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রস্তাবনা পেশ করেন। উপস্থিত নটরডেমিয়ানরা প্রস্তাবটির প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেন।
বিশেষ করে অধ্যাপক ডা. আতিফুর রহমান জেরিনসহ উপস্থিত সবাই এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জরুরি হৃদ্যন্ত্রজনিত পরিস্থিতিতে দ্রুত জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা নটরডেম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আরও বৃহত্তর পরিসরে একত্রিত করার বিষয়ে একমত হন। নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নটরডেমিয়ানদের পারস্পরিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
মিলনমেলায় উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও নটরডেমিয়ান অধ্যাপক ডা. আতিফুর রহমান জেরিন, প্রবীণ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ইশতিয়াক আমিন পাপ্পু, ব্রিসবেনের জনপ্রিয় সাহিত্যিক মোস্তাফিজুর রহমান টিটু, ডা. সৈকত, কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দেওয়ান মুস্তাফিজুর রহমান, অস্ট্রেলিয়ার রিজার্ভ সেনাবাহিনীতে কর্মরত তাহসিন, আতিক, ফেডারেল ডিরেক্টর তৌহিদ, অর্থনীতিবিদ তারেক ইসলাম সহ প্রায় ২৩ জন নটরডেমিয়ান।
এছাড়া সিডনি থেকে বিশেষভাবে অনুষ্ঠানে যোগ দেন নটরডেম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. সাজিদুল ইসলাম।
এরপর উপস্থিত অতিথিদের জন্য নদীতে নৌ ভ্রমণেরও আয়োজন করা হয়। মনোরম নদীর বুকে নৌভ্রমণ, চা-চক্র, আড্ডা ও পুরনো দিনের স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় নটরডেমিয়ানদের এই ঘটনা-বহুল ও আনন্দঘন মিলনমেলা।
আয়োজকদের মতে, প্রবাসে থেকেও নটরডেম কলেজের ঐতিহ্য, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন অটুট রাখতেই এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নটরডেমিয়ানদের নিয়ে এমন মিলনমেলার আয়োজনের প্রত্যাশা নিয়েই শেষ হয় এবারের আয়োজন।
প্রাতরাশের আয়োজন শেষে মিলনমেলার আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয় অধ্যাপক ডা: আতিফুর রহমান জেরিনের বাসায় আয়োজিত চা-চক্র। সেখানে আবারও চলে প্রাণখোলা আড্ডা ও স্মৃতিচারণ।
এরপর উপস্থিত অতিথিদের জন্য নদীতে নৌ ভ্রমণেরও আয়োজন করেন ডা: জেরিন। মনোরম নদীর বুকে নৌভ্রমণ, চা-চক্র, আড্ডা ও পুরনো দিনের স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় নটরডেমিয়ানদের এই ঘটনা-বহুল ও আনন্দঘন মিলনমেলা।
আয়োজকদের মতে, প্রবাসে থেকেও নটরডেম কলেজের ঐতিহ্য, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন অটুট রাখতেই এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নটরডেমিয়ানদের নিয়ে এমন মিলনমেলার আয়োজনের প্রত্যাশা নিয়েই শেষ হয় এবারের আয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন