প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের চলমান সংকট সমাধানের জন্য ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
তিনি মন্তব্য করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় ব্যাংকিং খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিল্পের প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সীমিত সম্পদের মধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক খাত পুনর্গঠন করা আবশ্যক।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) অডিটোরিয়ামে অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) আয়োজিত ‘বস্ত্র খাতে বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও আইটিইটির নবনির্বাচিত কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। এই খাতের সংকট সমাধানে সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকঋণ ও অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, ঋণপত্র (এলসি) খোলার জটিলতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কমপ্লায়েন্সের শর্ত পূরণ, এসব মিলিয়ে উদ্যোক্তাদের নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা দেশের শিল্প খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট বস্ত্র খাতের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক।
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরবর্তী পরিস্থিতি বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন রিজভী।
তিনি উল্লেখ করেন, এলডিসি উত্তরণের পর ইউরোপ ও আমেরিকার ক্রেতারা বাংলাদেশের পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আগের মতো আগ্রহী নাও থাকতে পারেন। এছাড়া, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের নির্ধারিত কমপ্লায়েন্সের শর্ত পূরণে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন