প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের (৪ জুলাই) ঐতিহাসিক মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে এক হাই-ভোল্টেজ ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর দুই নেতার মধ্যে দীর্ঘ ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের এই ফোনালাপকে কেন্দ্র করে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন তোলপাড় শুরু হয়েছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এই আলোচনাকে অত্যন্ত "ব্যবসায়িক এবং ফলপ্রসূ" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
ক্রেমলিনের সহকারী ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন, ফোনালাপের শুরুতে পুতিন ট্রাম্প এবং আমেরিকার জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান। এরপরই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে ইউক্রেন সংকট। ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে জোর দিলে পুতিন যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার ক্রমাগত অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।
পুতিন ট্রাম্পকে স্পষ্ট ভাষায় জানান, ডনবাস অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর কনস্টান্টিনোভকা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ইউক্রেন ফ্রন্টলাইনে রুশ বাহিনী বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো মূল্যে মস্কো তার লক্ষ্য অর্জন করবে এবং রাশিয়ার এই 'বিজয় অনিবার্য'।
আলোচনাকালে পুতিন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আবারও মস্কো সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং উল্লেখ করেন যে তাঁর এই আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা না গেলেও, এই দীর্ঘ ফোনালাপ এবং পুতিনের কڑا বার্তা ইউক্রেন সংকটের ভবিষ্যৎ কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন