প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের পার্লামেন্টের মুখপাত্র আব্বাস গৌদারজি মন্তব্য করেছেন যে, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে তেহরান চাইলেই বেরিয়ে আসতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পারমাণবিক নীতিতে পরিবর্তন আনাও ‘সহজেই সম্ভব’।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গৌদারজি এই কথা বলেন। তার বক্তব্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।
গৌদারজি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরোধ মৌলিক। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তির পক্ষে যারা কথা বলছেন, তারা মূলত ইরানের ওপর ‘আত্মসমর্পণ’ চাপিয়ে দিতে চাইছেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করা মানে ‘প্রতারণা মেনে নেওয়া’ বলেও মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে মোকাবিলায় ‘শক্তির ভাষা ও ক্ষমতার যুক্তি’ই কার্যকর বলে তিনি মনে করেন।
গৌদারজি সতর্ক করে বলেন, এমন কোনো আলোচনা করা উচিত নয়, যা ইরানের কথিত ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’কে দুর্বল করে বা দেশটির প্রতিপক্ষকে পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়। তিনি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘কৌশলগত ভুল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
গৌদারজির মতে, এনপিটি থেকে সরে আসা এবং ইরানের পারমাণবিক নীতি পুনর্বিবেচনা করা ‘সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত ও সহজেই সম্ভব’। তিনি দাবি করেন যে, এমন পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ‘তাদের জায়গায়’ ফিরিয়ে দেওয়া যাবে।
১৯৭০ সালে কার্যকর হওয়া এনপিটির মূল লক্ষ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা। ইরান এই চুক্তির সদস্য এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী নয় এমন দেশ হিসেবে তার পারমাণবিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের আওতায় রয়েছে।
তবে শনিবার ‘ইন্ডিয়া টুডে’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ইরানের এমন উদ্দেশ্য থাকলে দেশটি এনপিটিতে যোগ দিত না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন