প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বার্সেলোনা একসময় বিশ্বফুটবল শাসন করেছে জাভি হার্নান্দেজের মাঝমাঠ এবং লিওনেল মেসির আক্রমণভাগের জুটিতে। ২০১৫ সালে জাভি কাতালান ক্লাবটি ত্যাগ করার পর দুজনের পথ আলাদা হয়ে যায়। তবে ২০২১ সালে বার্সার প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জাভি তার পুরনো বন্ধু মেসিকে ক্যাম্প ন্যুয়ে ফেরানোর জন্য চেষ্টা করেন।
সাবেক এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার সম্প্রতি বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার অনীহার কারণে মেসির প্রত্যাবর্তন বাস্তবে রূপ নেয়নি। মেসি ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যাওয়ার মাত্র তিন মাস পর জাভি ক্লাবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর লাপোর্তা প্রশাসন তাকে বরখাস্ত করে হান্সি ফ্লিককে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়। জাভির দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জয় করার পর মেসিকে ফেরানোর একটি বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছিল।
জাভি সম্প্রতি বলেন, ‘মেসি আমার খুব কাছের বন্ধু এবং আমরা সবসময়ই যোগাযোগ রাখতাম। বার্সেলোনায় ফেরার জন্য সে নিজেও ভীষণ আগ্রহী ছিল, আর আমিও শতভাগ এর পক্ষে ছিলাম। পুরো চার মাস আমরা টানা যোগাযোগের মধ্যে ছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত সভাপতি লাপোর্তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানান যে, তিনি মেসিকে পুনরায় সাইন করাতে চান না। তিনি চাননি মেসি বার্সেলোনায় ফিরুক, এটাই আসল সত্য।’
মেসিকে ফেরাতে না পারার দুঃখ প্রকাশ করে জাভি বলেন, ‘মেসি নিজেও অনেক আশা নিয়ে ছিল, আমি এবং পুরো কোচিং স্টাফও অনেক প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই সভাপতি সবকিছু বাতিল করে দেন। হ্যাঁ, বাস্তবতা এতটাই নিষ্ঠুর ছিল! এটি বাস্তবায়িত হলে ফুটবলের ইতিহাসে একটি স্বপ্নের অধ্যায় হতে পারত, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সত্যিই অত্যন্ত আফসোসের।’
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়েছেন মেসি। জাভি জানান, নিয়মিত যোগাযোগের কারণে তিনি এই সিদ্ধান্তের আভাস পেয়েছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন