প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেলায় উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চলতি বছরের জুন ও জুলাই মাসে, জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়ে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে মেহেরপুর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় প্রকৃত মালিকদের কাছে মোবাইল ফোন এবং টাকা হস্তান্তর করেন।
এসময় পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় উল্লেখ করেন, পুরাতন মুঠোফোন ক্রয়ের সময় অবশ্যই মোবাইলের বক্স ও ক্যাশ মেমো বিক্রেতার কাছ থেকে গ্রহণ করতে হবে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার হওয়ার প্রতিরোধে, কারো কথায় প্রলোভনে পড়ে মোবাইল ব্যাংকিং যেমন বিকাশ, নগদ বা অন্য কোন ক্যাশ অ্যাপের ওটিপি কাউকে শেয়ার করা উচিত নয়। অনলাইনে কিছু ক্রয়ের পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞজনের সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন। সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। হারানো মোবাইল এবং টাকা উদ্ধার করে ভুক্তভোগীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল।
পুলিশ সুপার আরও জানান, মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে হারানো ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ হওয়া ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
মেহেরপুর সদর থানায় ৬১টি, গাংনী থানায় ২৮টি এবং মুজিবনগর থানায় ১৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে, এছাড়া অন্য জেলা থেকে ১টি মোবাইল ফোন এবং টাকা উদ্ধার করেছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। পাশাপাশি ২৬টি ফেসবুক আইডি রিকোভারি ও ৫ জন নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামিনুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন