প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে 'অশোভন আচরণের' অভিযোগে ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ নিজের পুত্রবধূর সমস্ত রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিয়েছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হয়নি।
নিউইয়র্ক পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে ব্রুনেই দারুসসালামের গ্র্যান্ড চেম্বারলেইনের কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, সুলতানের আদেশে এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
পেঙ্গিরান রাবিয়াতুল আদাউইয়াহর বিরুদ্ধে সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়াহর প্রতি অসম্মান প্রদর্শন ও রাজপরিবারের সদস্যের স্ত্রী হিসেবে অনুপযুক্ত আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি রাজপরিবারের সুনামও ক্ষুণ্ন করেছেন। ফলে রাবিয়াতুল আদাউইয়াহর 'ইয়াং আমাত মুলিয়া পেঙ্গিরান আনাক ইস্তেরি' রাজকীয় উপাধিটি বাতিল করা হয়েছে।
বয়স ৩৩ বছর, রাবিয়াতুল আদাউইয়াহ ব্রুনেইয়ের প্রিন্স আবদুল মালিকের স্ত্রী। ৪৩ বছর বয়সী প্রিন্স আবদুল মালিক সিংহাসনের উত্তরাধিকার হিসেবে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।
ব্রুনেইয়ের সুলতান এর আগে রাজপরিবারের সদস্যদের উপাধি কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছেন। ২০০৩ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম আবদুল আজিজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তার সব রাজকীয় উপাধি প্রত্যাহার করা হয়।
২০১০ সালে তৃতীয় স্ত্রী আজরিনাজ মাজহার হাকিমের উপাধি পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে রাবিয়াতুলের ঘটনা ভিন্ন। কারণ তিনি এখনো সুলতানের ছেলের স্ত্রী এবং রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
প্রিন্স আবদুল মালিক ২০১৫ সালে রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানের রাজপ্রাসাদে একটি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে রাবিয়াতুলকে বিয়ে করেন। এই বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা ১০ দিন ধরে চলেছিল।
এতে হাজার হাজার অতিথি অংশ নেন। এই দম্পতির চারটি মেয়ে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন