প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলটি শুধুমাত্র সোনালি ট্রফিই পাবে না, বরং ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রাইজমানিও পাবে। এবারের আসরের জন্য ফিফা রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এটি স্পষ্ট যে, শুধু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পুরস্কারই নয়, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই তাদের অংশগ্রহণ ফি ও প্রস্তুতি অনুদান পাবে। ফলে শিরোপাজয়ী দলের মোট আয় দাঁড়াবে ৬২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রয়েছে অংশগ্রহণ বাবদ ১০ মিলিয়ন ডলার, প্রস্তুতি অনুদান বাবদ ২.৫ মিলিয়ন ডলার এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৭৫০ কোটি টাকা।
এদিকে, রানার্সআপ দলটি ৩৩ মিলিয়ন ডলার পাবে। অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতি অনুদানসহ তাদের মোট প্রাইজমানি হবে ৪৫.৫ মিলিয়ন ডলার।
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য প্রাইজমানি (পারফরম্যান্সভিত্তিক) এইভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে:
চ্যাম্পিয়ন: ৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬০০ কোটি টাকা)
রানার্সআপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৯৬ কোটি টাকা)
তৃতীয় স্থান: ২৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা)
চতুর্থ স্থান: ২৭ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩২৪ কোটি টাকা)
৫ম–৮ম স্থান: ১৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২২৮ কোটি টাকা)
৯ম–১৬তম স্থান: ১৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮০ কোটি টাকা)
১৭তম–৩২তম স্থান: ১১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৩২ কোটি টাকা)
৩৩তম–৪৮তম স্থান: ৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০৮ কোটি টাকা)
বিশ্বকাপের ইতিহাসে দেখা যাচ্ছে, এবারই সবচেয়ে বেশি অর্থ পুরস্কার হিসেবে দিচ্ছে ফিফা। ৪৮ দলের এ আসরে বাড়তি অংশগ্রহণের পাশাপাশি পুরস্কারের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা বিশ্ব ফুটবলের আর্থিক দিক থেকেও নতুন এক মাইলফলক সৃষ্টি করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন