প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যার ঘটনায় পুলিশ আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই মাস পর মামলার সন্দেহভাজন আসামি তরিক মোমেনকে গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ঘাগড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ পর্যন্ত মামলাটির সঙ্গে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ১৫ জুলাই রাতে মিঠামইন সদরের বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মিঠামইন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকেই হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হলেও হত্যাকাণ্ডের পুরো রহস্য এখনো উন্মোচিত হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তে বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে অভিযান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় জনতার সহায়তায় ইতোমধ্যে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘাগড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তরিক মোমেনকে গ্রেফতার করা হলো। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এদিকে, জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠায় মিঠামইন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন খোকাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হওয়ায় মামলার তদন্ত ও হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের বিষয়গুলো নিয়ে নানা প্রশ্নও রয়েছে।
মিঠামইন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনোয়ার মোহাম্মদ বলেন, তরিক মোমেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মামলার বাকি সন্দেহভাজন ও পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন