প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ : নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও বিনিয়োগবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) নীতিমালা সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানিয়েছেন, জনমত গ্রহণের উদ্দেশ্যে আগামী দু’এক দিনের মধ্যে খসড়া প্রকাশ করা হবে।
আজ ডিএসই মাল্টিপারপাস হলে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত একটি সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।
বিএসইসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও গভীরতা বৃদ্ধির জন্য আইপিও নীতিমালা সংস্কারসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ডাইরেক্ট লিস্টিং বিধিমালা প্রণয়ন, ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের বিকাশ এবং নতুন বিনিয়োগপণ্য চালুর উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
সেমিনারে বিএসইসি’র কমিশনার তানবীর হাবিব রহমান, অ্যাডভোকেট নাহিদ মাহতাব, মো. নাফিজ আল তারিক, হোসাইন সাহাদত এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বিএসইসি চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য কোম্পানির আর্থিক তথ্য যাচাই এবং মৌলভিত্তি বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে আইপিওতে বিনিয়োগের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আর্থিক বিবরণী, পরিচালন কার্যক্রম থেকে সৃষ্ট নগদ প্রবাহ এবং প্রকৃত আর্থিক সক্ষমতা পর্যালোচনা করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, অস্বাভাবিক মুনাফার প্রতিশ্রুতি কিংবা যাচাইহীন তথ্যের ভিত্তিতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা, স্টক এক্সচেঞ্জ, গণমাধ্যম এবং বিনিয়োগকারীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বিএসইসি চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেছেন যে, আইপিও নীতিমালা সংস্কারসহ চলমান উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজারকে আরও কার্যকর ও টেকসই করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন