প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপের মধ্যে বর্তমানে বন্দি বিনিময়ের চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যদি এই চুক্তিটি বাস্তবায়িত হয়, তবে মালদ্বীপের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশি বন্দিরা মানবিক বিবেচনায় নিজেদের দেশে ফিরে বাকি সাজা ভোগ করার সুবিধা পাবেন।
এই তথ্যটি শুক্রবার বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
হাইকমিশন জানিয়েছে, উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই চুক্তিটি দ্রুত কার্যকর করতে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর চুক্তিটি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হয়ে কার্যকর হবে। এর ফলে দুই দেশের আইনি এবং মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হবে, যা বন্দিদের মানসিক উন্নয়ন ও সামাজিক পুনর্বাসনে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এদিকে, মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের কল্যাণ, অধিকার এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সে দেশের মাফুশি কারাগার পরিদর্শন করেছে।
এ পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধি দল কারাগারে আটক ৪৪ জন বাংলাদেশি বন্দির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের সার্বিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন।
হাইকমিশন জানায়, বর্তমানে মাফুশি কারাগারে আটক বাংলাদেশি বন্দিদের মধ্যে ৩৪ জন বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডিত, এবং ১০ জন বিচারাধীন রয়েছেন।
পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রত্যেক বন্দির সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেছেন এবং তাদের চিকিৎসাসেবা, খাদ্য, পোশাক, আবাসন এবং সামগ্রিক কারা পরিবেশের খোঁজখবর নেন।
পরে, মালদ্বীপের কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠকে বন্দিদের বিভিন্ন সমস্যা এবং অভিযোগের বিষয়গুলো তুলে ধরে দ্রুত তাদের প্রাপ্য সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়।
পরিদর্শন শেষে হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম বলেন, বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের মানবিক মর্যাদা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্বের অংশ। তিনি বলেন, প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ, সুরক্ষা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।
তিনি আরও বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে বন্দিরা তাদের নিজ দেশের মধ্যে সাজা ভোগ করতে পারবেন, যা প্রবাসে আটক নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন