প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যা মামলার আসামি সাজিবুল ইসলাম, যিনি অপূর্ব নামে পরিচিত, তার (২৮) জন্য আদালত দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এর আগে তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপুর চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল আমিন ভূঁইয়া এই আদেশ প্রদান করেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এসআই আসাদুল ইসলাম জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এই কারণে দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের তেলুঞ্জিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির এলাকার একটি দোকানের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে সাংবাদিক আলিফ ফকির নিহত হন।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা অজ্ঞাতপরিচয় সাত-আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্যবাজারের সিনেমা হল এলাকা থেকে অপূর্বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অপূর্ব পৌর শহরের উকিলপাড়া এলাকার শমশের আলীর ছেলে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি দুর্গাপুরে ছুটিতে বাড়িতে আসা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলায় ১৩ জানুয়ারি অপূর্বকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজও পরিচালনা করতেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন