প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আলিবাবা এবার এআই মডেল ব্যবহারের ধারণায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। সংস্থাটি তাদের নতুন এআই মডেলের সাথে বড় অঙ্কের আয় করা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আয়ের একটি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
এই বিষয়ে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানাচ্ছে যে, আলিবাবা আগামী সপ্তাহে তাদের নতুন ওপেন সোর্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল কুয়েন ৩.৮-ম্যাক্স প্রকাশ করতে পারে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এআই ব্যবহার করলে অর্থ নেয়।
যদিও কেউ যদি নিজের সার্ভারে কুয়েন মডেল চালায়, তাহলে সাধারণত কোনো ফি দিতে হয় না। নতুন পরিকল্পনার অধীনে, যেসব প্রতিষ্ঠান কুয়েন ৩.৮-ম্যাক্স ব্যবহার করে বৃহৎ পরিসরে আয় করবে, তাদের আলিবাবার সঙ্গে আলাদা বাণিজ্যিক চুক্তি করতে হবে।
এছাড়াও, সেই আয়ের একটি অংশ কোম্পানিকে দিতে হবে। তবে ঠিক কত শতাংশ রাজস্ব দিতে হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলিবাবা অতীতে একই কৌশল মুনশট–কে অনুসরণ করে। তারা গত মাসে প্রকাশিত কিমি কে৩ মডেলের লাইসেন্সেও একই ধরনের শর্ত রেখেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান কিমি কে৩ ব্যবহার করে বছরে ২ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি আয় করে, তাহলে মুনশটের সঙ্গে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি করতে হবে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি আয়ের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ভাগ চাইছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি ‘ফ্রিমিয়াম’ ব্যবসায়িক মডেল। অর্থাৎ সাধারণ ব্যবহারকারী বিনা মূল্যে এআই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যারা এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বড় পরিসরে ব্যবসা করবে বা অতিরিক্ত সুবিধা নেবে, তাদের কিছু অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
বর্তমানে চীনের ওপেন সোর্স এআই মডেলগুলো কম খরচে উন্নত সুবিধা দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিমি কে৩ ব্যবহারের খরচ আনুমানিক অ্যানথ্রপিকের ফেবল মডেলের তুলনায় প্রায় তিন গুণ কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওপেন সোর্স এআই প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে আয় নিশ্চিত করার জন্য নতুন ব্যবসায়িক কৌশল গ্রহণ করছে। আলিবাবার নতুন পরিকল্পনাও সেই পরিবর্তনের একটি উদাহরণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন