প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের ফলে গাজায় প্রায় ৫০ হাজার নারী ও তরুণী নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন। জাতিসংঘের নারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এটি উপত্যকার প্রতি ২১ জন নারী ও তরুণীর মধ্যে একজনের সমান।
সংস্থাটির মানবিক কার্যক্রমের প্রধান সোফিয়া কালটরপ জানিয়েছেন, এই সংঘাতে ৩৮ হাজারের বেশি নারী প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রায় ১২ হাজার নারী এমন গুরুতর আহত হয়েছেন যে তাদের আজীবন পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তি এক বছর আগে কার্যকর হলেও গাজায় সহিংসতা এখনো পুরোপুরি থামেনি। বিশেষ করে গত অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে আরও ২৭৭ জন নারী ও তরুণী মারা গেছেন।
সোফিয়া কালটরপ আরও জানিয়েছেন, প্রায় ১০ লাখ নারী ও তরুণীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে এবং প্রায় সবাই এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় তাঁবুতে বা নিজেদের বাড়ির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এছাড়া গাজায় নারীপ্রধান পরিবারের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বর্তমানে সেখানকার প্রতি চারটি পরিবারের একটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন নারীরা।
এদিকে, তহবিলের ঘাটতির কারণে নারী বিষয়ক সংস্থাগুলো মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। জরিপ চালোনো ১৪টি সংস্থার মধ্যে ১৩টিই জানিয়েছে যে, তারা এখন আর ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারছে না।
এসব সংস্থার সকলেই জানিয়েছেন যে, ২০২৫ সাল থেকে গাজায় লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, দারিদ্র্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংকট তীব্রভাবে বেড়েছে এবং ১৩টি সংস্থা বাল্যবিয়ে বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে।
এ কারণে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পূর্ণ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘ নারী সংস্থা জোর দাবি জানিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন