প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন মন্তব্য করেছেন যে কৃষকদের সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে, পাশাপাশি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।
তিনি পঞ্চগড়ে দুই টাকার লাউ ঢাকায় ৬০ টাকায় বিক্রির উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, "কৃষক কেন তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন না?"
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর তিন নেতার মাজার প্রাঙ্গণে অবস্থিত তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এনসিপির অঙ্গসংগঠন জাতীয় কৃষক শক্তি। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আকরাম হোসাইন, জাতীয় কৃষক শক্তির সদস্যসচিব কৃষিবিদ গোলাম মর্তুজা সেলিম, মুখ্য সংগঠক নফিউল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব মাহদী এবং কেন্দ্রীয় সদস্য দিদার শাহসহ অন্যান্য নেতারা।
আখতার হোসেন বলেন, "আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একজন নেতাকে কেন্দ্র করে অন্য জাতীয় নেতাদের অবদান আড়াল করা হয়েছিল।" তিনি বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় নেতাদের যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন। নতুন প্রজন্মের সামনে জাতীয় নেতাদের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও অবদান তুলে ধরার জন্য পাঠ্যপুস্তক ও গণমাধ্যমে আলোচনা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
শেরে বাংলার কৃষকবান্ধব রাজনীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন কাজ করেছেন। সাম্প্রদায়িক বিভেদ উপেক্ষা করে হিন্দু-মুসলমান কৃষকদের ঐক্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। শেরে বাংলার আদর্শ অনুসরণ করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান আখতার হোসেন।
দেশের কৃষকদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "উত্তরাঞ্চলে সার সংকট, ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকদের সংকট বাড়ছে।"
পঞ্চগড়ে দুই টাকার লাউ ঢাকায় ৬০ টাকায় বিক্রির উদাহরণ দিয়ে তিনি পুনরায় প্রশ্ন তোলেন, "কৃষক কেন তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন না?"
কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, বাজারে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ করা, হিমাগার ও শস্য সংরক্ষণাগার নির্মাণ, কৃষিঋণে সহানুভূতিশীল নীতি গ্রহণ এবং সরকারি প্রণোদনা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
শেরে বাংলার কৃষকবান্ধব আদর্শ দেশের সব রাজনৈতিক দলের অনুসরণ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন আখতার হোসেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন