প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেনের ফুটবলে বিতর্কের অবসান হচ্ছে না। লা লিগার রেফারিং নিয়ে ক্রমাগত অসন্তোষ প্রকাশ করছে রিয়াল মাদ্রিদ। নিজেদের টিভি চ্যানেলে রেফারিদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানোর অভিযোগ রয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টদের বিরুদ্ধে। এ প্রেক্ষিতে লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস রিয়ালের এই প্রচারণা কৌশলকে জার্মানির নাৎসি সরকারের প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের কৌশলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এ ধরনের বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন তিনি।
লা লিগার সভাপতির এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্পেনের ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (সিএসডি) তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাঠিয়েছে স্পেনের স্পোর্টস ট্রাইব্যুনালে (টিএডি)। তেবাসের মন্তব্য ক্রীড়াঙ্গনের মর্যাদা এবং শালীনতার আইন লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ট্রাইব্যুনালকে অনুরোধ করা হয়েছে।
ঘটনার শুরু ১৬ অক্টোবর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৬৪ বছর বয়সী তেবাস লেখেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদের নিজস্ব একদল মুখপাত্র রয়েছে এবং ক্লাবটি নিজেই এর নেতৃত্ব দেয়। তাদের কৌশল সবসময় একই—সুবিধাজনক পদক্ষেপ বাছা, অপমানের পুনরাবৃত্তি, সন্দেহ তৈরি করা ও শত্রুদের নাম প্রকাশ করা। এটি গোয়েবলসের ব্যবহৃত প্রচার কৌশলের কথা মনে করিয়ে দেয়।’
তেবাসের মন্তব্যের পর রিয়াল মাদ্রিদ কড়া প্রতিক্রিয়া দেখায়। ক্লাবটি অবিলম্বে লা লিগার সভাপতির পদত্যাগ দাবি করে। সিএসডির মতে, স্প্যানিশ ‘ক্রীড়া আইন ১০/১৯৯০-এর ৭৬.৪.বি অনুচ্ছেদ’ অনুযায়ী তেবাসের এই আচরণ গুরুতর অপরাধের আওতায় পড়ে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সতর্কবার্তা, অর্থদণ্ড বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞার শাস্তি হতে পারে তার।
এদিকে লা লিগার সভাপতি আত্মপক্ষ সমর্থনে সরব হয়েছেন। তিনি পাল্টা বিবৃতিতে জানান, প্রচারকৌশল বোঝাতে তিনি এই উপমা দিয়েছিলেন, রিয়াল সমর্থক বা ক্লাবের মূল্যবোধকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে নয়।
একই সঙ্গে রিয়ালের সম্প্রচার নিয়ে সিএসডির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তেবাস লেখেন, ‘রিয়ালের অফিসিয়াল টিভি যখন রেফারিং ব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে এবং লিগ চুরি হওয়ার অভিযোগ তোলে, তখন ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বা সিএসডি চুপ থাকে কেন? প্রতিযোগিতাকে জালিয়াতি বলা কি খেলাধুলার শালীনতার ওপর আঘাত নয়? এতে কি ক্লাব, রেফারি এবং লাখ লাখ সমর্থকের ক্ষতি হচ্ছে না? নাকি এসব মূল্যবোধের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলার প্রয়োজন পড়ে কেবল তখনই, যখন কেউ এমন আক্রমণের জবাব দেয়?
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন