প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মোংলা বন্দর সংলগ্ন অঞ্চলে চোরাই তেল পাচারের সময় একটি ট্রলার এবং দুটি লরি জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী। তবে এই ঘটনায় জড়িত কোনো ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে।
সোমবার (২ নভেম্বর) গভীর রাতে মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া এলাকার স্কুলের পেছনের খালে অভিযান চালিয়ে এসব জব্দ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হলদিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের খালে একটি বোটে করে ৬৫ ব্যারেল মবিল সদৃশ চোরাই তেল পাচার করা হচ্ছিল। ট্রলারটি সেখানে নোঙর করে ব্যারেলগুলো তীরে নামানোর কাজ করছিল। এসময় সহযোগিতায় থাকা অপর একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। কিছুক্ষণ পর, তেল নেয়ার জন্য নির্ধারিত স্থানে ১০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পদ্মা অয়েলের দুটি বড় লরি উপস্থিত হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, লরি দুটির মালিক চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. হারুন মিয়া।
স্থানীয়রা ডিজেল পাম্পের মাধ্যমে ট্রলার থেকে পাইপ দিয়ে লরিতে অবৈধভাবে তেল বোঝাই করার সময় বিষয়টি টের পান। সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোস্ট গার্ড ও পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে যৌথ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও তার আগেই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারিরা।
অভিযান শেষে চোরাই তেলবোঝাই ট্রলারটি সোমবার ভোররাতেই মোংলা ফেরিঘাটে এনে বেঁধে রাখা হয়। অন্যদিকে, তেল চুরির কাজে ব্যবহৃত লরি দুটি ঘটনাস্থলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান জানান, চোরাই তেল, লরি ও ট্রলার জব্দের ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে যে, এই সংঘবদ্ধ চক্রের নেপথ্যে কোনো প্রভাবশালী সিন্ডিকেট রয়েছে কি না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন