প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল অর্থনীতির সুষ্ঠু কার্যক্রম নিশ্চিত করতে অপরিহার্য হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ। শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো ছাড়া ডিজিটাল ফিন্যান্সের সুবিধাগুলি সম্পূর্ণরূপে অর্জন করা সম্ভব নয়। ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ একে অপরের পরিপূরক।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগণের সার্বিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক মূলধারায় তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে রোবাস্ট ইন্টারনেট, এক সিটিজেন এক ওয়ালেট এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল সিস্টেমের আওতায় আনতে। রোবাস্ট ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হচ্ছে এবং চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় স্মার্টফোন পাওয়া যাবে, যা কৃষক ও সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের পথকে সহজতর করেছে। তারা এখন আবহাওয়া, সারের মাত্রা কিংবা পণ্যের বাজারদর সহজেই জানতে পারছেন। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড, কিংবা ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং চালুর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ ঘটছে।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে উদ্ভাবন যেন থমকে না যায়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সাইবার সিকিউরিটি ও নীতিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন