প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত ও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে মারাত্মক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, যা টানা ভারি বৃষ্টি ও ঝড়ের ফলে সৃষ্টি হয়েছে। এই পৃথক দুর্যোগগুলোর কারণে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, নেপালের একটি বেস ক্যাম্পে তুষারধসে চাপা পড়ে ১০ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে দুই দেশের প্রধান নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ১৫ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। এই দুর্যোগের ফলে ১১৭টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যের ৬৩টি জেলা এই দুর্যোগের কবলে পড়েছে এবং ২৪ ঘণ্টার হিসাবে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১৯ গুণ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গঙ্গা, কোসি ও নর্মদাসহ বেশ কিছু বড় নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় সাতটি রাজ্যের ৩০টি নদী পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নেপালের বাগ্লুং জেলায় রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় ভূমিধসে ঘর চাপা পড়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মানাং জেলায় হিমলুং হিমালের বেস ক্যাম্পে তুষারধসের ঘটনায় ১০ জন নেপালি কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে, নেপাল কর্তৃপক্ষ দেশের ৪৯টি জেলায় আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করেছে। দেশটির রাহুগঙ্গা নদীর বন্যায় একটি ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পুনরুদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন