প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কুষ্টিয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. কামারুল আরেফিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন এবং ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ও ৮ কোটি ৯ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন যা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
আজ দুদকের কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কামারুল আরেফিন মিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১ কোটি ৬৮ লাখ ৮ হাজার ৮০১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন এবং ৮ কোটি ৯ লাখ ১ হাজার ৪৮৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, কামারুল আরেফিন তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ৯৬ লাখ ৯৭ হাজার ২৫১ টাকার সম্পদের তথ্য প্রদান করেছেন। তবে দুদকের যাচাই ও অনুসন্ধানে তার নামে মোট ১০ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৫২ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, ১ কোটি ৬৮ লাখ ৮ হাজার ৮০১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে।
এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬-৯৭ থেকে ২০২২-২৩ করবর্ষ পর্যন্ত কামারুল আরেফিনের গ্রহণযোগ্য আয় ৮ কোটি ২৫ লাখ ৮ হাজার ৩৫২ টাকা পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, তার মোট সম্পদের পরিমাণ, পারিবারিক খরচ, কর পরিশোধ, অন্যান্য ব্যয় ও স্ত্রীর জন্য দান বাবদ ব্যয়সহ মোট ১৬ কোটি ৩৪ লাখ ৯ হাজার ৮৩৬ টাকা হিসাব করা হয়েছে।
এতে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৮ কোটি ৯ লাখ ১ হাজার ৪৮৪ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে টেন্ডার বাণিজ্য, পশুর হাট ও বালুমহাল ইজারা এবং ঠিকাদারি ব্যবসার মাধ্যমে নিম্নমানের কাজ করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, বিদেশে অর্থ পাচার এবং নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন