প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভৈরব পৌরসভায় নতুন কর নির্ধারণের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি, যিনি ১৬৭ কিশোরগঞ্জ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য।
নাগরিক সেবার মান উন্নত না করে গৃহ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পৌর কর প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ানোর উদ্যোগের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, স্থানীয় সাধারণ নাগরিক, সাংবাদিক সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর ফলস্বরূপ, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দুর্জয় পাদদেশে নূরানী মসজিদের সামনে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। "জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সর্বস্তরের জনতা" ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ ছিল যে, নাগরিকদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ বা কার্যকর আলোচনা ছাড়াই পৌরকর বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দ্রুত সামাজিক মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে, প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম মানববন্ধনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন এবং বলেন, "ভৈরব দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নগরী, তাই পৌরসভার পৌর কর আপাতত নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি না আসা পর্যন্ত বাড়বে না। গতবছর যা নির্ধারিত ছিলো, তা জনস্বার্থে বহাল থাকবে।" এই তথ্য মুঠোফোনে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মোঃ জুনাইদ দৈনিক ইনকিলাবের ভৈরব সংবাদদাতা সোহান রহমানকে নিশ্চিত করেন।
এদিকে, ভৈরবে সুশীল সমাজের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব এবং জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, "হটাৎ করে পৌরসভার পৌর কর ৪০% বৃদ্ধি হওয়ার বিষয়টি জানার পর আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিষয়টি বন্ধ করার জন্য স্পষ্ট ভাষায় বলি। কারণ, জনস্বার্থ সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" তিনি আরও বলেন, "আজকের মানববন্ধন প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসলে, তার সুবুদ্ধির জন্য ভৈরববাসীর পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন