প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘ সতর্ক করেছে যে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের তিনটি শরণার্থী শিবির থেকে গত বছর পুরো ফিলিস্তিনি জনগণের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় আসতে পারে।
শুক্রবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর এই তথ্য জানায়।
তবে ইসরায়েল প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে। খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েল যে সামরিক অভিযান শুরু করে, তার ফলে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হন।
‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ নামে পরিচিত ওই অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে।
জাতিসংঘের দাবি, এই সময় বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটে, শত শত বাড়িঘর ধ্বংস হয় এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী শিবিরগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং সেখানে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথও অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের শিবির ছেড়ে যেতে বাধ্য করে।
অভিযান শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী শিবিরগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করে এবং সেখানকার পুরো জনগণকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেয়, এমনটাই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, জেনিন, নূর শামস এবং তুলকারেমের মতো শরণার্থী শিবির থেকে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে বাস্তুচ্যুত করার ঘটনা ‘জোরপূর্বক স্থানান্তর’ নামের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত এই তিনটি শিবির থেকে বাস্তুচ্যুত ৩৩ হাজার ৩৬২ জন ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন