প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এবারের বিশ্বকাপের আসরে কানাডা ফুটবলের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে, এবারই প্রথমবার নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন এবং মাঠে নামার ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে উত্তর আমেরিকার এই দেশটি।
এর পূর্বে ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে, কিন্তু কখনোই ঘরের মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল না কানাডার। এবার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বকাপের মোট ১৩টি ম্যাচ, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপে কানাডা খেলছে। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, কাতার এবং সুইজারল্যান্ড। স্বাগতিক দর্শকদের উৎসাহ এবং সমর্থন নিয়ে, প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে দলটি।
কানাডার বর্তমান ফুটবল দলকে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রজন্ম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দলে অন্তর্ভুক্ত star ফুটবলার আলফনসো ডেভিস, জোনাথন ডেভিড এবং কাইল লেরিন। তাদের নেতৃত্বে, বিশ্বকাপে প্রথম জয় তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যেও মাঠে নামছে ‘লে রুজ’রা। কানাডার বিশ্বকাপের অতীত খুব সুখকর নয়। ১৯৮৬ ও ২০২২—এই দুই আসরে মিলিয়ে তারা ছয়টি ম্যাচ খেললেও, কোনো জয় অর্জন করতে পারেনি। এমনকি ড্রও করতে পারেনি তারা। তবে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল করে, আলফনসো ডেভিস বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম গোলের ইতিহাস গড়েছিলেন।
বিশ্বকাপে প্রথম জয়, প্রথমবার নকআউট পর্বে ওঠা এবং স্বাগতিক হিসেবে স্মরণীয় এক আসর উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে কানাডা। এবং সেই পথে তাদের প্রথম ম্যাচ বসনিয়ার বিপক্ষে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন