প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লন্ডনে চিকিৎসাধীন চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা) আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যু সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর খবরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিসচা।
নিসচার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইলিয়াস কাঞ্চন ভালো আছেন।
নিসচার মহাসচিব লিটন এরশাদ গ্লিটজকে জানিয়েছেন, “মানুষ অতি উৎসাহী হয়ে এ ধরনের খবর ছড়ায়। লন্ডনে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, সেখানে তার চিকিৎসা ভালো চলছে, তিনি ভালো আছেন।
“একজন জীবিত মানুষকে নিয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া মৃত্যুর মিথ্যা খবর ছড়িয়ে দেওয়ায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে আমাদের সংগঠন।”
তথ্য যাচাই ছাড়া মৃত্যুর খবর ছড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন লিটন। তিনি বলেন, “এটি শুধু চরম দায়িত্বহীনতা নয়, বরং একজন মানুষের পরিবার, স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং তার প্রতি ভালোবাসা থাকা লাখো মানুষের অনুভূতির প্রতি নির্মম আঘাত।
“ইলিয়াস কাঞ্চন শুধুমাত্র একজন জনপ্রিয় অভিনেতা নন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তার সঙ্গে দেশের অসংখ্য মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা জড়িত রয়েছে। ফলে তাকে নিয়ে মিথ্যা মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তের মধ্যে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও শোকের পরিবেশ তৈরি করে।”
মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়ানোর বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়েছে নিসচার এক বিজ্ঞপ্তিতে।
মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ার পর ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে লন্ডনে মেয়ের বাসায় অবস্থান করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সেখানকার হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর দুই ধাপে চলছে কেমোথেরাপি।
১৫ মাসেরও বেশি সময় লন্ডনে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন। এক সপ্তাহের বেশি সময় দেশের মাটিতে কাটিয়ে ১২ অগাস্ট চিকিৎসার জন্য ফের যুক্তরাজ্যে যান। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। এর মধ্যেই তার মৃত্যু খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় তিন দশকের অভিনয় জীবনে কয়েকশ সিনেমায় কাজ করেছেন এই অভিনেতা, যার শুরুটা হয় ১৯৭৭ সালে সুভাষ দত্তের বসুন্ধরা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর একের পর এক দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিলেও তিনি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছান ১৯৮৯ সালে বেদের মেয়ে জোসনা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে।
১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর এক সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনকে হারানোর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন