প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের ঘটনা নিয়ে দলটি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এনসিপির অভিযোগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতার পরিচালিত অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে দুদক এই অনুসন্ধান শুরু করেছে। দলটি এই উদ্যোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও উল্লেখ করেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেন এসব কথা তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পতিত আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ছড়ানো গুজব ও রাজনৈতিক প্রচারণাকে কাজে লাগিয়ে দুদককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এনসিপি দাবি করেছে যে, এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির দলীয়করণের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
দলটি অভিযোগ করেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের হেয় করতে দুদককে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের কর্মীদের তথ্যসূত্রহীন সংবাদকে ভিত্তি করে যদি কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অনুসন্ধান শুরু করে, তাহলে সেই অনুসন্ধানের নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে।
এনসিপি মনে করে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতাদের রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তবে, এনসিপি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দুদকের যেকোনো অনুসন্ধানে সহযোগিতার কথা জানিয়েছে। দলটির নেতাদের বক্তব্য, জুলাই সনদে ঘোষিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দুদক পুনর্গঠন করা হলে তারা যে কোনো অভিযোগের তদন্তে সহযোগিতা করবেন।
এনসিপি জুলাই সনদের আলোকে স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত দুদক পুনর্গঠনের দাবি তুলেছে। এই দাবি পূরণ না হলে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দলটি।
বিবৃতিতে সরকারকে পতিত ফ্যাসিবাদীদের পথ অনুসরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি বন্ধের দাবিও জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন