প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অঞ্চলের গৃহবধূ হালিমা আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন গজারিয়া উপজেলার বড় ভাটেরচর এলাকার আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আলামিন প্রধান (৫০)।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর হালিমা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পিবিআই জানিয়েছে, তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুন্সীগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদীর শাখা নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক তরুণীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের অবস্থা খারাপ থাকায় প্রথমে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
এই নিহত গৃহবধূ উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামলদী গ্রামের মহসিন মিয়ার মেয়ে হালিমা আক্তার। এ ঘটনায় নিহতের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে ৩০ মে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পিবিআই চারজনকে গ্রেফতার করে।
পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামিরা জানিয়েছেন, হালিমার কাছে আবু কালামের প্রায় ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেল মিয়ার ১০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এছাড়া জামাল হোসেনের সঙ্গে হালিমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ পেলে সামাজিকভাবে বিব্রত হওয়ার আশঙ্কা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন