প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন মতাসার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) মিডিয়া সেল।
বিএমপি মিডিয়া সেলের ২৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
### মতাসার বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযান
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন বিসিসির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মতাসার বাজার এলাকায় বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় পুলিশের এ অভিযানের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে অভিযান পরিচালনার আগে কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়েছিল, উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল কিংবা সেগুলো কোথাও সরবরাহের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল কি না—এসব বিষয়ে বিএমপি মিডিয়া সেলের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
### আটক দুজনের পরিচয়
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, আটক দুজন হলেন মো. সাকিব হাওলাদার (২৭) ও মো. রাকিবুল ইসলাম (৩২)। তাঁরা উভয়েই বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন মতাসার এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের অভিযানে তাঁদের কাছ থেকে ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস, এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এ ঘটনায় আরও কেউ শনাক্ত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
### আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিএমপি মিডিয়া সেল। পরবর্তী সময়ে তদন্ত ও আইনানুগ কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।
মাদকদ্রব্যের অবৈধ বিস্তার প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান ও আইনগত পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণও জরুরি।
উল্লেখ্য, আটক হওয়া মানেই কোনো ব্যক্তি আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন—এমন নয়। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন